সফটওয়্যারটি সম্পর্কে সংগঠনের জ্যেষ্ঠ ডেটাবেজ ডিজাইনার রুহুল আমিন জানান, কোনো প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়সহ অন্যান্য খাতের নাম নির্দিষ্ট করা থাকে। কিন্তু এই সফটওয়্যারে কোনো খাত নির্দিষ্ট করা নেই। ফলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিজেদের ইচ্ছামতো নতুন নতুন খাতের নাম সংশোধন ও সংযোজন করতে পারবে। এ ছাড়া পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন শেষে শিক্ষার্থীদের শ্রেণী, শাখা ও রোল নম্বর অনুসারে পাওয়া নম্বরগুলো সফটওয়্যারে রাখা হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিষয়ভিত্তিক নম্বর যোগ হয়ে মেধাতালিকা অনুযায়ী আলাদা নম্বরপত্র তৈরি হয়ে যাবে। ইচ্ছা করলে এর প্রিন্টও নেওয়া যাবে। অন্যদিকে কৃতকার্য ও অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা তালিকাও তৈরি করবে এটি। নতুন শ্রেণীতে শিক্ষার্থীদের পৃথক রোল নম্বর ও শাখা নির্ধারণ হয়ে যাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে। পাশাপাশি ভর্তি পরীক্ষার যাবতীয় কাজ, ভর্তির পর শিক্ষার্থীদের বেতন নির্ধারণ, পছন্দের বিষয় নির্বাচনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজও করা যাবে খুব সহজে।
এ সফটওয়্যার দিয়ে বিদ্যালয়ের যাবতীয় দাপ্তরিক কাজ ও তথ্য সংরক্ষণ করা যাবে। এর মাধ্যমে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর ছবিসহ জীবনবৃত্তান্ত, শ্রেণীকক্ষে উপস্থিতি, পরীক্ষার ফলাফল ইত্যাদি তথ্য সংরক্ষণ করা যাবে। শিক্ষক ও কর্মচারীদের যাবতীয় তথ্য সংরক্ষণেরও ব্যবস্থা রয়েছে এতে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরীক্ষার ফল প্রকাশ ছাড়াও সফটওয়্যারটির মাধ্যমে ক্লাসরুটিন, বদলি শিক্ষক নির্বাচন, বাদপড়া ক্লাস ও ছুটির হিসাব ছাড়াও রয়েছে যাবতীয় তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা। বিভিন্ন ধরনের অন্তত ৪০টি কাজ করার উপযোগী এ সফটওয়্যার।
No comments:
Post a Comment