Pages

Wikipedia

Search results

Thursday, March 18, 2010

 এক সফটওয়্যারেই চলবে বিদ্যালয়

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তি, পরীক্ষার ফলাফল, ক্লাসরুটিন তৈরি, আয়-ব্যয়ের হিসাব-নিকাশসহ রয়েছে নানা কাজ। এ কাজগুলো করতে যেমন সময় লাগে, আবার ঝামেলাও কম নয়। এসব সমস্যার সহজ সমাধান দিতেই তৈরি করা হয়েছে স্কুল অ্যাডমিনিস্ট্রেটর নামের এক নতুন সফটওয়্যার। আর এটি তৈরি করেছেন গাজীপুরের ইন্টেলিজেন্ট সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের রকিবুল হাসান, রুহুল আমিন ও সোহেল রানা।
সফটওয়্যারটি সম্পর্কে সংগঠনের জ্যেষ্ঠ ডেটাবেজ ডিজাইনার রুহুল আমিন জানান, কোনো প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়সহ অন্যান্য খাতের নাম নির্দিষ্ট করা থাকে। কিন্তু এই সফটওয়্যারে কোনো খাত নির্দিষ্ট করা নেই। ফলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিজেদের ইচ্ছামতো নতুন নতুন খাতের নাম সংশোধন ও সংযোজন করতে পারবে। এ ছাড়া পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন শেষে শিক্ষার্থীদের শ্রেণী, শাখা ও রোল নম্বর অনুসারে পাওয়া নম্বরগুলো সফটওয়্যারে রাখা হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিষয়ভিত্তিক নম্বর যোগ হয়ে মেধাতালিকা অনুযায়ী আলাদা নম্বরপত্র তৈরি হয়ে যাবে। ইচ্ছা করলে এর প্রিন্টও নেওয়া যাবে। অন্যদিকে কৃতকার্য ও অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা তালিকাও তৈরি করবে এটি। নতুন শ্রেণীতে শিক্ষার্থীদের পৃথক রোল নম্বর ও শাখা নির্ধারণ হয়ে যাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে। পাশাপাশি ভর্তি পরীক্ষার যাবতীয় কাজ, ভর্তির পর শিক্ষার্থীদের বেতন নির্ধারণ, পছন্দের বিষয় নির্বাচনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজও করা যাবে খুব সহজে।
এ সফটওয়্যার দিয়ে বিদ্যালয়ের যাবতীয় দাপ্তরিক কাজ ও তথ্য সংরক্ষণ করা যাবে। এর মাধ্যমে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর ছবিসহ জীবনবৃত্তান্ত, শ্রেণীকক্ষে উপস্থিতি, পরীক্ষার ফলাফল ইত্যাদি তথ্য সংরক্ষণ করা যাবে। শিক্ষক ও কর্মচারীদের যাবতীয় তথ্য সংরক্ষণেরও ব্যবস্থা রয়েছে এতে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরীক্ষার ফল প্রকাশ ছাড়াও সফটওয়্যারটির মাধ্যমে ক্লাসরুটিন, বদলি শিক্ষক নির্বাচন, বাদপড়া ক্লাস ও ছুটির হিসাব ছাড়াও রয়েছে যাবতীয় তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা। বিভিন্ন ধরনের অন্তত ৪০টি কাজ করার উপযোগী এ সফটওয়্যার।

No comments:

Post a Comment

Total Pageviews

ads by infolink