মাত্র ১০০ টাকা নিবন্ধন ফি। আইপি টু আইপি টেলিফোনি (ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিফোনি) বিনা মূল্যে। আইপি টেলিফোনি থেকে অন্য মোবাইল ফোন অপারেটরে কল করা যাবে প্রতি মিনিট ৬৫ পয়সায়। তবে সরকারি ল্যান্ডফোন কর্তৃপক্ষ বিটিসিএলের সঙ্গে এখনই কানেকশন (সংযোগ) পাওয়া যাচ্ছে না। আপাতত আইপি টু আইপি ফোন বাংলাদেশে ব্যবহার করা যাবে। পরে সরকারের অনুমতিসাপেক্ষে দেশে-বিদেশে আইপি টেলিফোনি সেবা চালু করা হবে।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর স্থানীয় একটি হোটেলে কম দামে কথা বলার প্রযুক্তি আইপি টেলিফোনির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধনকালে বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান একসঙ্গে ১৮টি অপারেটরের মাধ্যমে এই সেবা খাত উদ্বোধন করার ঘোষণা দেন। তিনি জানান, বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোও শিগগির বাজারে চলে আসবে।
গত বছরের আগস্টে বিটিআরসি ৩২টি আইএসপি প্রতিষ্ঠানকে এ সেবা লাইসেন্স দেয়। ব্যাংক গ্যারান্টিসহ নেওয়া হয় ২৫ লাখ টাকা। সে সময় অনুমোদন পাওয়া এসব প্রতিষ্ঠানের তরফে বলা হচ্ছিল, এ সেবা চালু হতে সময় লাগবে মাস তিনেক। তবে কিছুটা দেরিতে হলেও ব্যান্ডউইথের সাহায্যে একমাত্র টেলিকম সেবা দিতে আইপি টেলিফোনি অপারেটররা গ্রাহকের কাছে যাচ্ছে। সম্পূর্ণ দেশি উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে এটি গড়ে উঠছে।
ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারদের সংগঠন আইএসপিএবির সভাপতি ও আইএসএন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আখতারুজ্জামান বলেন, অপারেটররা ভয়েস ও ডেটা দুই ধরনের সেবাই দেবে। তিনি জানান, এ সেবা পেতে বিশেষায়িত মুঠোফোন বাংলাদেশের বাজারে সহজেই মিলবে। একই সেটে পাবলিক সুইচড টেলিফোন নেটওয়ার্ক (পিএসটিএন) সেবাও নেওয়া যাবে। আর যেসব মুঠোফোনে জিপিআরএস ও এজ ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে, তাতেও আইপি টেলিফোনি সেবা গ্রহণ করা যাবে। বাজারে এখন অনেক উন্নত মানের মুঠোফোনে আইপি ডায়ালার রয়েছে। আর কম্পিউটারের ক্ষেত্রে ইন্টারনেট ব্যবহারের ডায়াল-আপের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এ সেবা গ্রহণ করা যাবে।
অনুষ্ঠানে বিটিআরসির চেয়ারম্যান জিয়া আহমেদ ও অ্যাকসেস টু ইনফরমেশনের জাতীয় প্রকল্প পরিচালক নজরুল ইসলাম খানও উপস্থিত ছিলেন।
No comments:
Post a Comment