মোবাইল ফোন সংযোগভিত্তিক ইন্টারনেট সেবার প্রযুক্তি এজ (ইডিজিই) পূর্ণরূপ
হলো এনহ্যান্সড ডেটা রেটস ফর গ্লোবাল ইভাল্যুশন।এই সেবার মাধ্যমে
জিপিআরএসের চেয়ে দুই থেকে আট গুণ বেশি গতিতে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
ইন্টারনেট সেবায় এজ প্রযুক্তি বাংলাদেশে নতুন না হলেও এর ব্যবহারকারীর
সংখ্যা খুব বেশি নয়। ২০০৬ সালে বাংলাদেশে এজ প্রযুক্তির ইন্টারনেট সেবা
চালু করে মোবাইল ফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। বর্তমানে
গ্রামীণফোনের পাশাপাশি ওয়ারিদ টেলিকমও গ্রাহকদের এই সুবিধা দিচ্ছে।
এজ ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা-অসুবিধাগুলো নিচে তুলে ধরা হলো।
সুবিধা
উচ্চগতির (ব্রডব্যান্ড) সংযোগ, ফিক্সড ফোন বা কেবেলর প্রয়োজন নেই।
পরিচালনব্যবস্থা ব্রডব্যান্ড ও টেলিফোননির্ভর ইন্টারনেটের চেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য। প্রাকৃতিক দুর্যোগে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হবে না।
বহনযোগ্য (ল্যাপটপ কম্পিউটার): যেখানে-সেখানে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।
খরচ সময়নির্ভর নয়, এটা নির্ভর করে তথ্য আদান-প্রদানের পরিমাণের উপর।
নেটওয়ার্ক বিস্তৃতি ব্রডব্যান্ড ও ডায়ালআপের চেয়ে বেশি।
অসুবিধা
খরচ অনেক বেশি (প্রতি কেবি ২ পয়সা হিসেবে)।
সংযোগের গতির হার খুব বেশি ওঠা-নামা করে।
হলো এনহ্যান্সড ডেটা রেটস ফর গ্লোবাল ইভাল্যুশন।এই সেবার মাধ্যমে
জিপিআরএসের চেয়ে দুই থেকে আট গুণ বেশি গতিতে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
ইন্টারনেট সেবায় এজ প্রযুক্তি বাংলাদেশে নতুন না হলেও এর ব্যবহারকারীর
সংখ্যা খুব বেশি নয়। ২০০৬ সালে বাংলাদেশে এজ প্রযুক্তির ইন্টারনেট সেবা
চালু করে মোবাইল ফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। বর্তমানে
গ্রামীণফোনের পাশাপাশি ওয়ারিদ টেলিকমও গ্রাহকদের এই সুবিধা দিচ্ছে।
এজ ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা-অসুবিধাগুলো নিচে তুলে ধরা হলো।
সুবিধা
উচ্চগতির (ব্রডব্যান্ড) সংযোগ, ফিক্সড ফোন বা কেবেলর প্রয়োজন নেই।
পরিচালনব্যবস্থা ব্রডব্যান্ড ও টেলিফোননির্ভর ইন্টারনেটের চেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য। প্রাকৃতিক দুর্যোগে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হবে না।
বহনযোগ্য (ল্যাপটপ কম্পিউটার): যেখানে-সেখানে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।
খরচ সময়নির্ভর নয়, এটা নির্ভর করে তথ্য আদান-প্রদানের পরিমাণের উপর।
নেটওয়ার্ক বিস্তৃতি ব্রডব্যান্ড ও ডায়ালআপের চেয়ে বেশি।
অসুবিধা
খরচ অনেক বেশি (প্রতি কেবি ২ পয়সা হিসেবে)।
সংযোগের গতির হার খুব বেশি ওঠা-নামা করে।
No comments:
Post a Comment