আবহাওয়ার তথ্য, বাতাসের গতিবেগ ইত্যাদি স্ক্রিনসেভারে পাওয়া যাবে।
ইয়োউইন্ডো সফটওয়্যারে আবহাওয়ার বিভিন্ন তথ্য এভাবে পাওয়া যায়।
www.yowindow.com ঠিকনার ওয়েবসাইট থেকে বিনা মূল্যে নামানো (ডাউনলোড)
যাবে। সফটওয়্যারটি ইনস্টল করে চালু করুন এবং নিজের দেশ ও শহর নির্বাচন
করুন।এবার প্রোগ্রাম মেনু থেকে Set YoWindow as Screensaver-এ ক্লিক করে
স্ক্রিনসেভার হিসেবে ইয়োউইন্ডোকে সেট করুন। এরপর থেকে স্ক্রিনসেভারে
বর্তমান আবহাওয়ার তথ্য দেখা যাবে।
Wikipedia
Search results
Saturday, March 27, 2010
নেটটুলসে খুঁটিনাটি সবকিছু
নেটটুলস নামের সফটওয়্যার দিয়ে নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট ও কম্পিউটার সিস্টেমের
বেশ কিছু সুবিধা পাওয়া যায় একসঙ্গে। এই সফটওয়্যারের সেবাগুলোর মধ্যে আছে
আইপি (ইন্টারনেট প্রটোকল) স্ক্যানার, আইপি ক্যালকুলেটর, সাবনেট
ক্যালকুলেটর, পোর্ট স্ক্যানার, টিসিপি বা আইপি কনফিগার, ইন্টারনেট
এক্সপ্লোরার পাসওয়ার্ড রিভাইবার, মাম ফাইল রিনেমার, বাইনারি-আসকি-হেক্স
কনভার্টার, ফোর্স রিবুট, উইন্ডোজের স্টার্টআপ ম্যানেজার, ভার্চুয়াল ড্রাইভ
তৈরি, সিস্টেম টাইমআপ, আনইনস্টলার, নেটমিটার, সফটওয়্যার স্ক্যানার,
অ্যাপলিকেশন টার্মিনেটর, রিমোট পিসি শাটডাউন, মিউজিক প্লেয়ার,
স্ক্রিনসেভার ইত্যাদি। ফলে কিছু কাজের জন্য ব্যবহারকারীকে আলাদা আলাদা
সফটওয়্যার ইনস্টল করতে হয় না।
একটি সফটওয়্যার থেকেই এই সেবাগুলো পাওয়া যাবে। এতে নেটওয়ার্ক টুলস, ফাইল
টুলস, সিস্টেম টুলস হিসেবে মোট ১৭৫টির মতো প্রোগ্রাম রয়েছে, যার তালিকা
দেখতে পাওয়া যাবে হেল্পের রিড মি ফাইল থেকে।
এ ছাড়া এই সেবাগুলো খোঁজার সুবিধা আছে। তবে এগুলোর মধ্যে কিছু কিছু সেবা
একটু ধীরগতির। ২৫.৩ মেগাবাইটের বিনামূল্যের এ সফটওয়্যারটি
www.users.pandora.be/ ahmadi ওয়েবসাইট থেকে নামিয়ে নেওয়া যেতে পারে।
উইন্ডোজের সব সংস্করণে সফটওয়্যারটি চলবে। আর ইনস্টল করার পর মূল ফোল্ডার
কপি করে পোর্টেবল (৭৬ মেগাবাইট) হিসেবেও ব্যবহার করতে পারবেন।
বেশ কিছু সুবিধা পাওয়া যায় একসঙ্গে। এই সফটওয়্যারের সেবাগুলোর মধ্যে আছে
আইপি (ইন্টারনেট প্রটোকল) স্ক্যানার, আইপি ক্যালকুলেটর, সাবনেট
ক্যালকুলেটর, পোর্ট স্ক্যানার, টিসিপি বা আইপি কনফিগার, ইন্টারনেট
এক্সপ্লোরার পাসওয়ার্ড রিভাইবার, মাম ফাইল রিনেমার, বাইনারি-আসকি-হেক্স
কনভার্টার, ফোর্স রিবুট, উইন্ডোজের স্টার্টআপ ম্যানেজার, ভার্চুয়াল ড্রাইভ
তৈরি, সিস্টেম টাইমআপ, আনইনস্টলার, নেটমিটার, সফটওয়্যার স্ক্যানার,
অ্যাপলিকেশন টার্মিনেটর, রিমোট পিসি শাটডাউন, মিউজিক প্লেয়ার,
স্ক্রিনসেভার ইত্যাদি। ফলে কিছু কাজের জন্য ব্যবহারকারীকে আলাদা আলাদা
সফটওয়্যার ইনস্টল করতে হয় না।
একটি সফটওয়্যার থেকেই এই সেবাগুলো পাওয়া যাবে। এতে নেটওয়ার্ক টুলস, ফাইল
টুলস, সিস্টেম টুলস হিসেবে মোট ১৭৫টির মতো প্রোগ্রাম রয়েছে, যার তালিকা
দেখতে পাওয়া যাবে হেল্পের রিড মি ফাইল থেকে।
এ ছাড়া এই সেবাগুলো খোঁজার সুবিধা আছে। তবে এগুলোর মধ্যে কিছু কিছু সেবা
একটু ধীরগতির। ২৫.৩ মেগাবাইটের বিনামূল্যের এ সফটওয়্যারটি
www.users.pandora.be/ ahmadi ওয়েবসাইট থেকে নামিয়ে নেওয়া যেতে পারে।
উইন্ডোজের সব সংস্করণে সফটওয়্যারটি চলবে। আর ইনস্টল করার পর মূল ফোল্ডার
কপি করে পোর্টেবল (৭৬ মেগাবাইট) হিসেবেও ব্যবহার করতে পারবেন।
টিপস নিয়ে ওয়েবসাইট
বিভিন্ন বিষয়ের ওপর তথ্য নিয়ে একটি ওয়েবসাইট প্রকাশ করা হয়েছে। টিপসওয়ার্ল্ভ্র নামের এ সাইটে স্বাস্থ্য, ব্যাংকিং, বিজ্ঞাপন, অনলাইনে আয়, গাড়ি, ডায়াবেটিস, ক্যানসার, নিরাপত্তা, হ্যাকিং ইত্যাদি বিষয়ের নিবন্ধ প্রকাশ
করা হয়েছে। সাইটটির ঠিকানা: www.tipsworld.info
করা হয়েছে। সাইটটির ঠিকানা: www.tipsworld.info
পিবিআড্ডা চালু
মোবাইল ফোনসেট ও কম্পিউটার থেকে ব্যবহার-উপযোগী ওয়েবসাইট পিবিআড্ডা চালু হয়েছে। এ সাইটে রয়েছে সরাসরি চ্যাট, নিজস্ব ফোরাম, ফোন বুক, বার্তা আদান-প্রদান ইত্যাদি সুবিধা। এর ঠিকানা: http://wap.pbadda.com
কি-বোর্ড বা মাউস দিয়েই চলবে আপনার কম্পিউটার
কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনেক সময় যে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় তা হলো, কম্পিউটারের কি-বোর্ড বা মাউসের যেকোনো একটি কাজ করছে না। সে ক্ষেত্রেও চিন্তার কিছু নেই।
কি-বোর্ড বা মাউসের যেকোনো একটি দিয়েই কম্পিউটারে কাজ চালিয়ে নেওয়া সম্ভব।
যদি কি-বোর্ডটি সচল এবং মাউসটি অচল হয়, তবে কি-বোর্ড থেকে
Left Alt+Left Shift+Num Lock একত্রে চাপতে হবে।
একটি অপশন আসবে।
এতে OK করলেই কি-বোর্ডের সংখ্যার বোতামগুলো
(নিউম্যারিক কি-প্যাড) মাউস হিসেবে কাজ করবে।
১, ২, ৩, ৪, ৬, ৭, ৮, ৯ বোতামের মাধ্যমে মাউস পয়েন্টার নাড়িয়ে সব কাজ করা যাবে।
আর যদি উল্টোটা হয়, অর্থাৎ মাউস সচল আর কি-বোর্ড অচল, সে ক্ষেত্রে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের Start থেকে All programs\Accessories\ Accessibility\on Screen Keyboard নির্বাচন করতে হবে। ডেস্কটপে একটি কি-বোর্ড চলে আসবে। সেটির বোতামে মাউস দিয়ে ক্লিক করে কি-বোর্ডের কাজ করা যাবে।
কি-বোর্ড বা মাউসের যেকোনো একটি দিয়েই কম্পিউটারে কাজ চালিয়ে নেওয়া সম্ভব।
যদি কি-বোর্ডটি সচল এবং মাউসটি অচল হয়, তবে কি-বোর্ড থেকে
Left Alt+Left Shift+Num Lock একত্রে চাপতে হবে।
একটি অপশন আসবে।
এতে OK করলেই কি-বোর্ডের সংখ্যার বোতামগুলো
(নিউম্যারিক কি-প্যাড) মাউস হিসেবে কাজ করবে।
১, ২, ৩, ৪, ৬, ৭, ৮, ৯ বোতামের মাধ্যমে মাউস পয়েন্টার নাড়িয়ে সব কাজ করা যাবে।
আর যদি উল্টোটা হয়, অর্থাৎ মাউস সচল আর কি-বোর্ড অচল, সে ক্ষেত্রে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের Start থেকে All programs\Accessories\ Accessibility\on Screen Keyboard নির্বাচন করতে হবে। ডেস্কটপে একটি কি-বোর্ড চলে আসবে। সেটির বোতামে মাউস দিয়ে ক্লিক করে কি-বোর্ডের কাজ করা যাবে।
ইন্টারনেটে বসে অন্য কম্পিউটারের ফাইলে কাজ করা
ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিজের কম্পিউটারে বসেও একাধিক কম্পিউটারের ফাইল দেখা, সম্পাদনা, সংরক্ষণ বা আদান-প্রদানের কাজ করা যায়। এ কাজের জন্য লাগবে সফটওয়্যার। এমনই একটি সফটওয়্যার হচ্ছে ফিলহোম (FeelHome)। সফটওয়্যারটি পাওয়া যাবে www.nuxinov.com ঠিকানার ওয়েবসাইটে।
ফিলহোম উইন্ডোজ, লিনাক্স এবং ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহার করা যায়, ফলে অপর ব্যবহারকারীকে কোনো নির্দিষ্ট অপারেটিং সিস্টেম না ব্যবহার করলেও চলবে। ওয়েবসাইট থেকে বিনা মূল্যে সফটওয়্যারটি নামিয়ে (ডাউনলোড) কম্পিউটারের কোন ফোল্ডারসমূহ শেয়ার করতে চান, সেটি নির্দিষ্ট করে দিতে হবে। এরপর ওয়েবসাইট দেখার সফটওয়্যার (ব্রাউজার) বা অন্য কম্পিউটার থেকে সেই নির্দিষ্ট ফোল্ডারের ফাইলগুলো ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া যাবে। পাসওয়ার্ড ব্যবহার বা তথ্য আদান-প্রদানের সময় ব্যক্তিগত গোপনীয়তার দিকেও খেয়াল রাখা হয়েছে সফটওয়্যারটিতে। ডেস্কটপ থেকে সার্ভারে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এসএসএল এনক্রিপশন প্রটোকল ব্যবহার করা হয়। এই সেবাটি ব্যবহার করার আগে বিনা মূল্যে নিবন্ধন করতে হবে।
ফিলহোম উইন্ডোজ, লিনাক্স এবং ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহার করা যায়, ফলে অপর ব্যবহারকারীকে কোনো নির্দিষ্ট অপারেটিং সিস্টেম না ব্যবহার করলেও চলবে। ওয়েবসাইট থেকে বিনা মূল্যে সফটওয়্যারটি নামিয়ে (ডাউনলোড) কম্পিউটারের কোন ফোল্ডারসমূহ শেয়ার করতে চান, সেটি নির্দিষ্ট করে দিতে হবে। এরপর ওয়েবসাইট দেখার সফটওয়্যার (ব্রাউজার) বা অন্য কম্পিউটার থেকে সেই নির্দিষ্ট ফোল্ডারের ফাইলগুলো ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া যাবে। পাসওয়ার্ড ব্যবহার বা তথ্য আদান-প্রদানের সময় ব্যক্তিগত গোপনীয়তার দিকেও খেয়াল রাখা হয়েছে সফটওয়্যারটিতে। ডেস্কটপ থেকে সার্ভারে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এসএসএল এনক্রিপশন প্রটোকল ব্যবহার করা হয়। এই সেবাটি ব্যবহার করার আগে বিনা মূল্যে নিবন্ধন করতে হবে।
Monday, March 22, 2010
স্ক্রিনসেভারে দেখুন আবহাওয়ার খবর
আবহাওয়ার তথ্য, বাতাসের গতিবেগ ইত্যাদি স্ক্রিনসেভারে পাওয়া যাবে।
ইয়োউইন্ডো সফটওয়্যারে আবহাওয়ার বিভিন্ন তথ্য এভাবে পাওয়া যায়।
www.yowindow.com ঠিকনার ওয়েবসাইট থেকে বিনা মূল্যে নামানো (ডাউনলোড)
যাবে। সফটওয়্যারটি ইনস্টল করে চালু করুন এবং নিজের দেশ ও শহর নির্বাচন
করুন।এবার প্রোগ্রাম মেনু থেকে Set YoWindow as Screensaver-এ ক্লিক করে
স্ক্রিনসেভার হিসেবে ইয়োউইন্ডোকে সেট করুন। এরপর থেকে স্ক্রিনসেভারে
বর্তমান আবহাওয়ার তথ্য দেখা যাবে।
ইয়োউইন্ডো সফটওয়্যারে আবহাওয়ার বিভিন্ন তথ্য এভাবে পাওয়া যায়।
www.yowindow.com ঠিকনার ওয়েবসাইট থেকে বিনা মূল্যে নামানো (ডাউনলোড)
যাবে। সফটওয়্যারটি ইনস্টল করে চালু করুন এবং নিজের দেশ ও শহর নির্বাচন
করুন।এবার প্রোগ্রাম মেনু থেকে Set YoWindow as Screensaver-এ ক্লিক করে
স্ক্রিনসেভার হিসেবে ইয়োউইন্ডোকে সেট করুন। এরপর থেকে স্ক্রিনসেভারে
বর্তমান আবহাওয়ার তথ্য দেখা যাবে।
নেটটুলসে খুঁটিনাটি সবকিছু
নেটটুলস নামের সফটওয়্যার দিয়ে নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট ও কম্পিউটার সিস্টেমের
বেশ কিছু সুবিধা পাওয়া যায় একসঙ্গে। এই সফটওয়্যারের সেবাগুলোর মধ্যে আছে
আইপি (ইন্টারনেট প্রটোকল) স্ক্যানার, আইপি ক্যালকুলেটর, সাবনেট
ক্যালকুলেটর, পোর্ট স্ক্যানার, টিসিপি বা আইপি কনফিগার, ইন্টারনেট
এক্সপ্লোরার পাসওয়ার্ড রিভাইবার, মাম ফাইল রিনেমার, বাইনারি-আসকি-হেক্স
কনভার্টার, ফোর্স রিবুট, উইন্ডোজের স্টার্টআপ ম্যানেজার, ভার্চুয়াল ড্রাইভ
তৈরি, সিস্টেম টাইমআপ, আনইনস্টলার, নেটমিটার, সফটওয়্যার স্ক্যানার,
অ্যাপলিকেশন টার্মিনেটর, রিমোট পিসি শাটডাউন, মিউজিক প্লেয়ার,
স্ক্রিনসেভার ইত্যাদি। ফলে কিছু কাজের জন্য ব্যবহারকারীকে আলাদা আলাদা
সফটওয়্যার ইনস্টল করতে হয় না।
একটি সফটওয়্যার থেকেই এই সেবাগুলো পাওয়া যাবে। এতে নেটওয়ার্ক টুলস, ফাইল
টুলস, সিস্টেম টুলস হিসেবে মোট ১৭৫টির মতো প্রোগ্রাম রয়েছে, যার তালিকা
দেখতে পাওয়া যাবে হেল্পের রিড মি ফাইল থেকে।
এ ছাড়া এই সেবাগুলো খোঁজার সুবিধা আছে। তবে এগুলোর মধ্যে কিছু কিছু সেবা
একটু ধীরগতির। ২৫.৩ মেগাবাইটের বিনামূল্যের এ সফটওয়্যারটি
www.users.pandora.be/ ahmadi ওয়েবসাইট থেকে নামিয়ে নেওয়া যেতে পারে।
উইন্ডোজের সব সংস্করণে সফটওয়্যারটি চলবে। আর ইনস্টল করার পর মূল ফোল্ডার
কপি করে পোর্টেবল (৭৬ মেগাবাইট) হিসেবেও ব্যবহার করতে পারবেন।
বেশ কিছু সুবিধা পাওয়া যায় একসঙ্গে। এই সফটওয়্যারের সেবাগুলোর মধ্যে আছে
আইপি (ইন্টারনেট প্রটোকল) স্ক্যানার, আইপি ক্যালকুলেটর, সাবনেট
ক্যালকুলেটর, পোর্ট স্ক্যানার, টিসিপি বা আইপি কনফিগার, ইন্টারনেট
এক্সপ্লোরার পাসওয়ার্ড রিভাইবার, মাম ফাইল রিনেমার, বাইনারি-আসকি-হেক্স
কনভার্টার, ফোর্স রিবুট, উইন্ডোজের স্টার্টআপ ম্যানেজার, ভার্চুয়াল ড্রাইভ
তৈরি, সিস্টেম টাইমআপ, আনইনস্টলার, নেটমিটার, সফটওয়্যার স্ক্যানার,
অ্যাপলিকেশন টার্মিনেটর, রিমোট পিসি শাটডাউন, মিউজিক প্লেয়ার,
স্ক্রিনসেভার ইত্যাদি। ফলে কিছু কাজের জন্য ব্যবহারকারীকে আলাদা আলাদা
সফটওয়্যার ইনস্টল করতে হয় না।
একটি সফটওয়্যার থেকেই এই সেবাগুলো পাওয়া যাবে। এতে নেটওয়ার্ক টুলস, ফাইল
টুলস, সিস্টেম টুলস হিসেবে মোট ১৭৫টির মতো প্রোগ্রাম রয়েছে, যার তালিকা
দেখতে পাওয়া যাবে হেল্পের রিড মি ফাইল থেকে।
এ ছাড়া এই সেবাগুলো খোঁজার সুবিধা আছে। তবে এগুলোর মধ্যে কিছু কিছু সেবা
একটু ধীরগতির। ২৫.৩ মেগাবাইটের বিনামূল্যের এ সফটওয়্যারটি
www.users.pandora.be/ ahmadi ওয়েবসাইট থেকে নামিয়ে নেওয়া যেতে পারে।
উইন্ডোজের সব সংস্করণে সফটওয়্যারটি চলবে। আর ইনস্টল করার পর মূল ফোল্ডার
কপি করে পোর্টেবল (৭৬ মেগাবাইট) হিসেবেও ব্যবহার করতে পারবেন।
Thursday, March 18, 2010
এক সফটওয়্যারেই চলবে বিদ্যালয়
সফটওয়্যারটি সম্পর্কে সংগঠনের জ্যেষ্ঠ ডেটাবেজ ডিজাইনার রুহুল আমিন জানান, কোনো প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়সহ অন্যান্য খাতের নাম নির্দিষ্ট করা থাকে। কিন্তু এই সফটওয়্যারে কোনো খাত নির্দিষ্ট করা নেই। ফলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিজেদের ইচ্ছামতো নতুন নতুন খাতের নাম সংশোধন ও সংযোজন করতে পারবে। এ ছাড়া পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন শেষে শিক্ষার্থীদের শ্রেণী, শাখা ও রোল নম্বর অনুসারে পাওয়া নম্বরগুলো সফটওয়্যারে রাখা হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিষয়ভিত্তিক নম্বর যোগ হয়ে মেধাতালিকা অনুযায়ী আলাদা নম্বরপত্র তৈরি হয়ে যাবে। ইচ্ছা করলে এর প্রিন্টও নেওয়া যাবে। অন্যদিকে কৃতকার্য ও অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা তালিকাও তৈরি করবে এটি। নতুন শ্রেণীতে শিক্ষার্থীদের পৃথক রোল নম্বর ও শাখা নির্ধারণ হয়ে যাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে। পাশাপাশি ভর্তি পরীক্ষার যাবতীয় কাজ, ভর্তির পর শিক্ষার্থীদের বেতন নির্ধারণ, পছন্দের বিষয় নির্বাচনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজও করা যাবে খুব সহজে।
এ সফটওয়্যার দিয়ে বিদ্যালয়ের যাবতীয় দাপ্তরিক কাজ ও তথ্য সংরক্ষণ করা যাবে। এর মাধ্যমে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর ছবিসহ জীবনবৃত্তান্ত, শ্রেণীকক্ষে উপস্থিতি, পরীক্ষার ফলাফল ইত্যাদি তথ্য সংরক্ষণ করা যাবে। শিক্ষক ও কর্মচারীদের যাবতীয় তথ্য সংরক্ষণেরও ব্যবস্থা রয়েছে এতে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরীক্ষার ফল প্রকাশ ছাড়াও সফটওয়্যারটির মাধ্যমে ক্লাসরুটিন, বদলি শিক্ষক নির্বাচন, বাদপড়া ক্লাস ও ছুটির হিসাব ছাড়াও রয়েছে যাবতীয় তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা। বিভিন্ন ধরনের অন্তত ৪০টি কাজ করার উপযোগী এ সফটওয়্যার।
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ওয়েবসাইট
মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা
বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক একটি পৃথক মন্ত্রণালয় আছে, যেমনটা পৃথিবীর অনেক দেশেই নেই। আরও সুখের বিষয় হলো, এই মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটটি বাংলা ভাষায়, যেমনটা দেশের বেশির ভাগ মন্ত্রণালয়ের নেই।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের ঠিকানা: www.molwa.gov.bd। ওয়েবসাইটটি কেমন তা দুইভাবে বলা যায়। ভালো এবং খারাপ। দুর্বলতা খুঁজতে গেলে ওয়েবসাইটি নিয়ে অনেক কিছুই বলা যায়, সেদিকে না গিয়ে বরং মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে ধন্যবাদ দিতে হয় এ জন্য যে তাঁরা মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত সাধারণের জানার আগ্রহ রয়েছে এমন দরকারি বিষয়গুলোর জন্য ওয়েবসাইটের প্রথম পাতায় অনেকগুলো পৃথক বোতাম রেখেছে। যেমন: আমাদের গর্ব বীর শ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম ও বীর প্রতীকদের জন্য পৃথক বোতাম রাখা হয়েছে ‘খেতাবপ্রাপ্তরা’ শিরোনামের অধীনে; ‘মুক্তিযুদ্ধের আর্কাইভ’ শিরোনামের অধীনে আছে স্বাধীনতার ঘোষণা, মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা, দলিলপত্র, স্থির চিত্র, চলচ্চিত্র এবং বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণবিষয়ক পৃথক বোতাম। এ ছাড়া প্রথম পাতায় আরও রয়েছে মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত তথ্য জানার জন্য আলাদা বোতাম, মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পসমূহ, দরপত্র এবং প্রজ্ঞাপনসমূহসংক্রান্ত পৃথক বোতাম। অবাক করা ব্যাপার হলো, বেশির ভাগ বোতামের অধীনেই এখন পর্যন্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এমনকি পাতাগুলো যে নির্মাণাধীন সে কথাও উল্লেখ নেই। জাতিসংঘউন্নয়ন তহবিল—ইউএনডিপির সহযোগিতায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন কর্মসূচির তৈরি করা এই ওয়েবসাইটের সবচেয়ে সমৃদ্ধ অংশটি হলো ‘মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা’। সরকারের গেজেটে প্রকাশিত মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণ তালিকা এখানে পাবেন। আশা করা যায়, ওয়েবসাইটের শূন্য পাতাগুলোয় শিগগিরই তথ্য যোগ হবে।আর অতি দুর্বল স্থির চিত্রের পাতাটি সবল করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর
ইন্টারনেটে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সমৃদ্ধ এক ওয়েবসাইট তৈরি করেছে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। এর সীমাবদ্ধতা হলো এই ওয়েবসাইটটির একটি পূর্ণাঙ্গ বাংলা সংস্করণ নেই। সাইটটিতে মুক্তিযুদ্ধসংক্রান্ত অনেক মূল্যবান তথ্য রয়েছে। দেশের প্রথম ‘সংবিধানের প্রস্তাবনা’ যাঁরা প্রস্তাব করেছেন তাঁদের সইসহ স্ক্যান করে ‘বাংলাদেশ’ শিরোনামের বোতামে দেওয়া আছে। স্বাক্ষরকারীরা সেখানে পুরো নাম লেখায় এই নামগুলোর সূত্র ধরে স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাস সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করা সম্ভব হবে। ‘দিজ মান্থ ইন ১৯৭১’ শিরোনামের বোতামের অধীনে মার্চ মাসের ১ তারিখ থেকে ৩১ পর্যন্ত ১৯৭১ সালে কী হয়েছিল সে কথা চমত্কারভাবে বাংলা ভাষায় লেখা আছে। ‘লিবারেশন ওয়ার’ বোতামের অধীনে ১১টি বিষয়ভিত্তিক প্রবন্ধ আছে। তবে ইংরেজিতে লেখা এই প্রবন্ধগুলো ক্ষেত্রবিশেষে অসম্পূর্ণ মনে হতে পারে। যেমন বাংলাদেশ লিবারেশন আর্মড ফোর্সেস প্রবন্ধে ১১টি সেক্টরের কমান্ডারদের নাম দেওয়া হয়েছে। সেখানে তিনটি সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের পর পরিবর্তন হয়েছেন উল্লেখ করা হলেও এ কথার উল্লেখ নেই যে কেন তাঁরা দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন। যাঁরা স্বাধীনতার ইতিহাস জানেন তাঁরা সবাই জানেন যে ওই তিনজন মেজর ওই সময়ে নতুন দায়িত্ব নিয়ে তিনটি পৃথক ফোর্স যথা: জেড ফোর্স, কে ফোর্স এবং এস ফোর্সের নেতৃত্ব দিয়েছেন। এই কথার উল্লেখ থাকলে ভালো হতো।
কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিভিন্ন সূত্র থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করে এখানে উল্লেখ করা হয়েছে, যেমন— ভারত সরকারের তথ্য অনুযায়ী, স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের ১৪২১ জন সেনাসদস্য মারা গিয়েছে।
১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ প্রতিষ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর বাংলাদেশের আগামী প্রজন্মের জন্য তো বটেই, এ দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য লালনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এই উদ্যোগে আপনিও সম্পৃক্ত হতে পারেন। কীভাবে সে কথা জানতে চাপুন ‘ডোনারস’ বোতামটি। এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার লাখ দর্শনার্থী জাদুঘরে গিয়েছেন। আপনিও যেতে পারেন। ঠিকানা পাবেন ‘কন্টাক্ট আস’ বোতাম চেপে। এখানে আপনার মতামতও জানাতে পারেন। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর সম্পর্কে নিয়মিত হালনাগাদ থাকা যাবে তাদের নিউজলেটারের গ্রাহক হয়ে। জয়েন মেলিং লিস্ট বোতাম চেপে আপনি গ্রাহক হতে পারবেন। আরও বিস্তারিত জানতে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ওয়েবসাইটটি দেখতে পারেন। ঠিকানা: www.liberationwarmuseum.org
গণহত্যার আর্কাইভ
ইন্টারনেটে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক আরেকটি ওয়েবসাইট হলো বাংলাদেশ জেনোসাইড আর্কাইভ (www.genocidebangladesh.org)। একসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক এত তথ্য আর ওয়েবলিংক অন্য কোথাও পাওয়া যাবে না। গুগল বা ইয়াহুর মতো বিশ্বসেরা সার্চ ইঞ্জিনগুলোতে খুঁজেও এত তথ্য পাওয়া যায়নি।যা এখানে আছে।ওয়েবসাইটটির বৈশিষ্ট্য হলো পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী দ্বারা ১৯৭১ সালে যে গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে সে সংক্রান্ত অডিও, ভিডিও, স্থিরচিত্র, ওয়েবসাইট ইত্যাদির চমত্কার আর্কাইভ যেখানে কোনো মত বা পথের কথা নয়, বরং সব মতাদর্শের সবকিছুই এখানে রাখা হয়েছে। এখানে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এত কিছু আছে যে একবার দেখা শুরু করলে শেষ করতে কয়েক মাস লেগে যাবে। এই ওয়েব আর্কাইভে ইংরেজি এবং বাংলা উভয় ভাষার প্রচুরসংখ্যক ‘রিডিং মেটেরিয়াল’ রয়েছে। ওয়েবসাইটটি ঘুরে মনে হয়েছে সাইটটি যাঁরা পরিচালনা করছেন তাঁরা অত্যন্ত সততার সঙ্গে ১৯৭১ সংক্রান্ত সব দলিল এখানে জমা করেছেন। কিন্তু তাঁরা পাঠককে কোনো একদিকে পরিচালিত করতে চাননি। বরং পাঠকের ওপর তাঁরা আস্থা রেখেছেন। পাঠক তার মতো করে ডকুমেন্ট পড়ে নিজের মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এমনকি মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা নিয়ে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের যে কেউ তাঁর করা ওয়েবভিত্তিক কাজগুলোর ওয়েবলিংক এখানে জমা দিতে পারেন। এই ওয়েবসাইটটি ইতিহাসের এক নির্মোহ উপস্থাপনা। এখানে এলে জানা যায়, ১৯৭১ হঠাত্ করে তৈরি হয়নি। এর যে একটি পটভূমি আছে সেসংক্রান্ত ইতিহাসনির্ভর তথ্য-উপাত্ত এই ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে। এই ওয়েবসাইটটি ক্রিয়েটিভ কমনসের আওতায় প্রকাশিত হওয়ায় এখান থেকে তথ্য নিতে কোনো বাধা নেই।
শেষ কথা
তথ্যপ্রযুক্তিকে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ শিরোনামে নতুন এক ধারণা দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে চাইছে। সেই ধারণাকে যাঁরা লালন করেন তাঁদের দায়িত্ব হলো সহজ বাংলায় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসভিত্তিক ওয়েবসাইট আগামী প্রজন্মের জন্য রেখে যাওয়া এবং এই প্রজন্মকে প্রযুক্তি শিক্ষায় সুশিক্ষিত করে তোলা।
Tuesday, March 16, 2010
এজ মডেমের সুবিধা-অসুবিধা
মোবাইল ফোন সংযোগভিত্তিক ইন্টারনেট সেবার প্রযুক্তি এজ (ইডিজিই) পূর্ণরূপ
হলো এনহ্যান্সড ডেটা রেটস ফর গ্লোবাল ইভাল্যুশন।এই সেবার মাধ্যমে
জিপিআরএসের চেয়ে দুই থেকে আট গুণ বেশি গতিতে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
ইন্টারনেট সেবায় এজ প্রযুক্তি বাংলাদেশে নতুন না হলেও এর ব্যবহারকারীর
সংখ্যা খুব বেশি নয়। ২০০৬ সালে বাংলাদেশে এজ প্রযুক্তির ইন্টারনেট সেবা
চালু করে মোবাইল ফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। বর্তমানে
গ্রামীণফোনের পাশাপাশি ওয়ারিদ টেলিকমও গ্রাহকদের এই সুবিধা দিচ্ছে।
এজ ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা-অসুবিধাগুলো নিচে তুলে ধরা হলো।
সুবিধা
উচ্চগতির (ব্রডব্যান্ড) সংযোগ, ফিক্সড ফোন বা কেবেলর প্রয়োজন নেই।
পরিচালনব্যবস্থা ব্রডব্যান্ড ও টেলিফোননির্ভর ইন্টারনেটের চেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য। প্রাকৃতিক দুর্যোগে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হবে না।
বহনযোগ্য (ল্যাপটপ কম্পিউটার): যেখানে-সেখানে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।
খরচ সময়নির্ভর নয়, এটা নির্ভর করে তথ্য আদান-প্রদানের পরিমাণের উপর।
নেটওয়ার্ক বিস্তৃতি ব্রডব্যান্ড ও ডায়ালআপের চেয়ে বেশি।
অসুবিধা
খরচ অনেক বেশি (প্রতি কেবি ২ পয়সা হিসেবে)।
সংযোগের গতির হার খুব বেশি ওঠা-নামা করে।
হলো এনহ্যান্সড ডেটা রেটস ফর গ্লোবাল ইভাল্যুশন।এই সেবার মাধ্যমে
জিপিআরএসের চেয়ে দুই থেকে আট গুণ বেশি গতিতে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
ইন্টারনেট সেবায় এজ প্রযুক্তি বাংলাদেশে নতুন না হলেও এর ব্যবহারকারীর
সংখ্যা খুব বেশি নয়। ২০০৬ সালে বাংলাদেশে এজ প্রযুক্তির ইন্টারনেট সেবা
চালু করে মোবাইল ফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। বর্তমানে
গ্রামীণফোনের পাশাপাশি ওয়ারিদ টেলিকমও গ্রাহকদের এই সুবিধা দিচ্ছে।
এজ ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা-অসুবিধাগুলো নিচে তুলে ধরা হলো।
সুবিধা
উচ্চগতির (ব্রডব্যান্ড) সংযোগ, ফিক্সড ফোন বা কেবেলর প্রয়োজন নেই।
পরিচালনব্যবস্থা ব্রডব্যান্ড ও টেলিফোননির্ভর ইন্টারনেটের চেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য। প্রাকৃতিক দুর্যোগে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হবে না।
বহনযোগ্য (ল্যাপটপ কম্পিউটার): যেখানে-সেখানে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।
খরচ সময়নির্ভর নয়, এটা নির্ভর করে তথ্য আদান-প্রদানের পরিমাণের উপর।
নেটওয়ার্ক বিস্তৃতি ব্রডব্যান্ড ও ডায়ালআপের চেয়ে বেশি।
অসুবিধা
খরচ অনেক বেশি (প্রতি কেবি ২ পয়সা হিসেবে)।
সংযোগের গতির হার খুব বেশি ওঠা-নামা করে।
১৮ অপারেটরের মাধ্যমে আইপি টেলিফোনি চালু হলো
মাত্র ১০০ টাকা নিবন্ধন ফি। আইপি টু আইপি টেলিফোনি (ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিফোনি) বিনা মূল্যে। আইপি টেলিফোনি থেকে অন্য মোবাইল ফোন অপারেটরে কল করা যাবে প্রতি মিনিট ৬৫ পয়সায়। তবে সরকারি ল্যান্ডফোন কর্তৃপক্ষ বিটিসিএলের সঙ্গে এখনই কানেকশন (সংযোগ) পাওয়া যাচ্ছে না। আপাতত আইপি টু আইপি ফোন বাংলাদেশে ব্যবহার করা যাবে। পরে সরকারের অনুমতিসাপেক্ষে দেশে-বিদেশে আইপি টেলিফোনি সেবা চালু করা হবে।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর স্থানীয় একটি হোটেলে কম দামে কথা বলার প্রযুক্তি আইপি টেলিফোনির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধনকালে বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান একসঙ্গে ১৮টি অপারেটরের মাধ্যমে এই সেবা খাত উদ্বোধন করার ঘোষণা দেন। তিনি জানান, বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোও শিগগির বাজারে চলে আসবে।
গত বছরের আগস্টে বিটিআরসি ৩২টি আইএসপি প্রতিষ্ঠানকে এ সেবা লাইসেন্স দেয়। ব্যাংক গ্যারান্টিসহ নেওয়া হয় ২৫ লাখ টাকা। সে সময় অনুমোদন পাওয়া এসব প্রতিষ্ঠানের তরফে বলা হচ্ছিল, এ সেবা চালু হতে সময় লাগবে মাস তিনেক। তবে কিছুটা দেরিতে হলেও ব্যান্ডউইথের সাহায্যে একমাত্র টেলিকম সেবা দিতে আইপি টেলিফোনি অপারেটররা গ্রাহকের কাছে যাচ্ছে। সম্পূর্ণ দেশি উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে এটি গড়ে উঠছে।
ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারদের সংগঠন আইএসপিএবির সভাপতি ও আইএসএন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আখতারুজ্জামান বলেন, অপারেটররা ভয়েস ও ডেটা দুই ধরনের সেবাই দেবে। তিনি জানান, এ সেবা পেতে বিশেষায়িত মুঠোফোন বাংলাদেশের বাজারে সহজেই মিলবে। একই সেটে পাবলিক সুইচড টেলিফোন নেটওয়ার্ক (পিএসটিএন) সেবাও নেওয়া যাবে। আর যেসব মুঠোফোনে জিপিআরএস ও এজ ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে, তাতেও আইপি টেলিফোনি সেবা গ্রহণ করা যাবে। বাজারে এখন অনেক উন্নত মানের মুঠোফোনে আইপি ডায়ালার রয়েছে। আর কম্পিউটারের ক্ষেত্রে ইন্টারনেট ব্যবহারের ডায়াল-আপের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এ সেবা গ্রহণ করা যাবে।
অনুষ্ঠানে বিটিআরসির চেয়ারম্যান জিয়া আহমেদ ও অ্যাকসেস টু ইনফরমেশনের জাতীয় প্রকল্প পরিচালক নজরুল ইসলাম খানও উপস্থিত ছিলেন।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর স্থানীয় একটি হোটেলে কম দামে কথা বলার প্রযুক্তি আইপি টেলিফোনির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধনকালে বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান একসঙ্গে ১৮টি অপারেটরের মাধ্যমে এই সেবা খাত উদ্বোধন করার ঘোষণা দেন। তিনি জানান, বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোও শিগগির বাজারে চলে আসবে।
গত বছরের আগস্টে বিটিআরসি ৩২টি আইএসপি প্রতিষ্ঠানকে এ সেবা লাইসেন্স দেয়। ব্যাংক গ্যারান্টিসহ নেওয়া হয় ২৫ লাখ টাকা। সে সময় অনুমোদন পাওয়া এসব প্রতিষ্ঠানের তরফে বলা হচ্ছিল, এ সেবা চালু হতে সময় লাগবে মাস তিনেক। তবে কিছুটা দেরিতে হলেও ব্যান্ডউইথের সাহায্যে একমাত্র টেলিকম সেবা দিতে আইপি টেলিফোনি অপারেটররা গ্রাহকের কাছে যাচ্ছে। সম্পূর্ণ দেশি উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে এটি গড়ে উঠছে।
ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারদের সংগঠন আইএসপিএবির সভাপতি ও আইএসএন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আখতারুজ্জামান বলেন, অপারেটররা ভয়েস ও ডেটা দুই ধরনের সেবাই দেবে। তিনি জানান, এ সেবা পেতে বিশেষায়িত মুঠোফোন বাংলাদেশের বাজারে সহজেই মিলবে। একই সেটে পাবলিক সুইচড টেলিফোন নেটওয়ার্ক (পিএসটিএন) সেবাও নেওয়া যাবে। আর যেসব মুঠোফোনে জিপিআরএস ও এজ ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে, তাতেও আইপি টেলিফোনি সেবা গ্রহণ করা যাবে। বাজারে এখন অনেক উন্নত মানের মুঠোফোনে আইপি ডায়ালার রয়েছে। আর কম্পিউটারের ক্ষেত্রে ইন্টারনেট ব্যবহারের ডায়াল-আপের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এ সেবা গ্রহণ করা যাবে।
অনুষ্ঠানে বিটিআরসির চেয়ারম্যান জিয়া আহমেদ ও অ্যাকসেস টু ইনফরমেশনের জাতীয় প্রকল্প পরিচালক নজরুল ইসলাম খানও উপস্থিত ছিলেন।
ইতালি থেকে বাংলা অনলাইন পত্রিকা
ইউরোপসহ বিশ্বব্যাপী বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে বাংলাদেশের খবরাখবর তাত্ক্ষণিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ইতালি থেকে যাত্রা শুরু করছে ‘ন্যাশনাল নিউজ’ নামের নতুন বাংলা অনলাইন পত্রিকা। বাংলাদেশের সমসাময়িক বিষয় ছাড়াও ইউরোপ, আমেরিকাসহ সারা বিশ্বের বাংলাদেশ কমিউনিটির খবর পাওয়া যাবে এ পত্রিকায়। রয়েছে ভিডিও বিভাগে বিভিন্ন অনুষ্ঠানাদি সরাসরি দেখার সুবিধা। পত্রিকাটির ঠিকানা: www.nationalnews.com.bd
Subscribe to:
Comments (Atom)